স্বপ্ন পূরন আইটি সেন্টার

ফ্রিল্যান্সারদের জন্য স্বর্গরাজ্য - Fiverr.com

 

How to earn money from online Freelance marketplace Fiverr.com
অনলাইন থেকে আয় করা বা ফ্রিল্যান্সিং করে ঘরে বসে আয় করা এটি এখন ব্যাপক পরিচিত কথা এবং আগ্রহের বিষয়। এবং মোটামুটি সবাই জেনে গেছেন ফ্রিল্যান্সিং বা আউটসোর্সিং কি অনলাইনে ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য অসংখ্য মার্কেটপ্লেস রয়েছে এবং অসংখ্য পদ্ধতি রয়েছে ফ্রিল্যান্সিং করে আয় করার জন্য। সেইসব মার্কেটপ্লেস থেকে আমি একটি জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস নিয়ে আজ কথা বলব যেটি নতুন ফ্রিল্যান্সারদের জন্য স্বর্গরাজ্য বলা চলে। এই মার্কেটপ্লেসের নাম হচ্ছে  Fiverr.com । অনেকে হয়তো আগেই নাম শুনেছেন এবং শুনে থাকার কথা যদি আপনি ফ্রিল্যান্সিং বিষয়ে গুগল বা ইউটিউব এ খোঁজাখুঁজি করেন । কারণ এই সাইটটি এতই জনপ্রিয় যে বাংলাদেশের অধিকাংশ ফ্রিল্যান্সারই সাইটের সঙ্গে যুক্ত। এই সাইটটিকে নতুনদের জন্য স্বর্গরাজ্য এইজন্যে বলব, যতগুলো ফ্রিল্যান্সিং সাইট আছে তার মধ্যে এই সাইটি একমাত্র, নতুনরা সহজে প্রোফাইল সেট আপ সহ সফলতা লাভ করতে পারে, সফলতা লাভ করার সম্ভাবনা 90% । যদি আপনি ভালো কাজ জানেন।
আসুন দেখে নেই এখানে কি কি কাজ গুলো করা হয়ে থাকে


  • Graphics & Design
  • Digital Marketing
  • Writing & Translation
  • Video & Animation
  • Music & Audio
  • Programming & Tech
  • Business
  • Lifestyle
  • Industries

এইসব মূল ক্যাটাগরীর আওতায় আরও অসংখ্য সাব ক্যাটাগরী রয়েছে ।  আপনি নিজে একবার সাইটটি ভিজিট করে দেখতে পারেন, তবে একাউন্ট খোলার আগে আপনাকে কিছু কথা শুনে যেতে হবে। তাহলে অনেক সমস্যা থেকে রেহাই পাবেন এবং সঠিক গাইডলাইন পেলে অবশ্যই আপনি সফল হতে পারবেন।
সাইনআপ করার প্রথমে আপনাকে যে কাজটি করতে হবে এই সাইটটি সম্পূর্ণ ভিজিট করতে হবে। প্রতিটি ক্যাটাগরি sub-category দিয়ে দেখতে হবে এখানে যে কাজগুলো করা হয় এবং যেভাবে করা হয় এই বিষয়গুলো খুব মনোযোগের সহিত পড়তে হবে ।  তারপর আপনি কোন বিষয়ের উপর অভিজ্ঞ সেই বিষয়টি নির্ধারণ করতে হবে।


অধিকাংশ নতুন যারা ফ্রিল্যান্সিং করতে আছেন তারা সবাই সহজ কাজগুলো খুঁজে থাকেন, এটি হচ্ছে প্রথম ভুল এবং নতুনরা এই ভুল শুধু করে না বরং বাংলাদেশের অধিকাংশ ফ্রিল্যান্সার যারা ফাইবারে কাজ করেন, তাদের প্রথম পছন্দ হচ্ছে গ্রাফিক্স ডিজাইন ক্যাটাগরির ফটো এডিটিং।   এর কারণ হচ্ছে ফটো এডিটিং হচ্ছে গ্রাফিক্স ডিজাইন এমনকি ফাইবারের অন্যান্য কাজগুলো চাইতে সহজ কাজ গুলোর মধ্যে অন্যতম । মাত্র কয়েকদিন প্রাকটিস করলে অথবা ইউটিউব এ ভিডিও দেখলে কাজগুলো শিখে নেয়া যায় ।  আর এটাই হচ্ছে সবচেয়ে ভুল , একটা কথা সবসময় মনে রাখা উচিত যে কাজ যত সহজ সেই কাজটি ততবেশি মানুষ করতে পারেন । এর ফলে ওই ক্যাটাগরির কাজগুলো করার জন্য অসংখ্য ফ্রিল্যান্সার রয়েছে । সুতরাং আপনাকে একটি কাজ পাবার জন্য  কিন্তু অনেকগুলো ফ্রিল্যান্সারের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে হবে ।  এবং সহজ কাজ গুলোর পেমেন্ট কম হয়ে থাকে অর্থাৎ আপনাকে অল্প টাকায় অনেক কাজ করে দিতে হয়।


অন্যদিকে যদি লক্ষ করেন অন্যান্য ক্যাটাগরি গুলোতে যে কাজগুলো করা হয় সেই কাজের মূল্য অপেক্ষাকৃত অনেক বেশি।  এবং সেগুলোতে ফ্রিল্যান্সারের সংখ্যা কম, আর এই সুযোগটাই কাজে লাগায় অন্যান্য দেশের ফ্রিল্যান্সারগণ।  কাজেই আমার সাজেশন আপনি যতই কাজ করেন না কেন, এমন একটি কাজ এখান থেকে নির্ধারণ করে নিবেন।  যে কাজটি বাজারে চাহিদা আছে এবং যে কাজটি সবাই করতে পারবে না এবং যে কাজটি করলে মোটামুটি ভালো একটা আয় করা সম্ভব ।  সেই কাজটি বেছে নিতে হবে এবং সেই কাজের উপর যথেষ্ট দক্ষতা অর্জন করে নিতে হবে ।   সব সময় মনে রাখবেন আপনার দক্ষতা যদি ভালো না থাকে তাহলে এখানে একাউন্ট খুলে কোন লাভ নেই।  বরং একাউন্ট খোলার পরিবর্তে আপনি সেই সময় টা কাজের মনোযোগ দেন এবং কাজের দক্ষতা বৃদ্ধি করেন ।    আর যদি দক্ষতা না থাকে আজীবন এখানে পড়ে থাকলেও আপনি সফলতার মুখ দেখতে পাবেন না ।


সমস্ত ওয়েবসাইট ঘুরে আপনার পছন্দের ক্যাটাগরি নির্ধারণ করুন এবং সেই ক্যাটাগরিতে আপনার দক্ষতা বৃদ্ধি করুন।   দক্ষতা অর্জন হয়ে গেলে সেই কাজটি বারবার প্রাক্টিস করুন ।  সেগুলো প্রফেশনাল কোন ফ্রিল্যান্সারদের দেখান ।   অথবা পোর্টফোলিও হিসাবে রেখে দিন।
এবার সাইন আপ করার পালা ।  একাউন্ট সাইন আপ করার সময় যে বিষয়টি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সেটি হচ্ছে অবশ্যই আপনাকে বৈধ নাম যেটি আপনার ন্যাশনাল আইডি কার্ডের ব্যবহার করেছেন সেই নামটি ব্যবহার করবেন এবং যে মেইলটি আপনার পার্সোনাল মেইল সেই মেইলটি ব্যবহার করবেন যাতে যেকোন ধরনের নোটিফিকেশন সহজে মেইলের মাধ্যমে দেখতে পান।
সাইন আপ করার সময় ওয়াইফাই কানেকশন এর পরিবর্তে মডেম অথবা মোবাইল ফোনের কানেকশন দিয়ে ব্যবহার করলে অধিক নিরাপদ।


সাইন আপ হয়ে গেলে আপনার প্রোফাইলে চলে যান, সেখানে গিয়ে আপনার প্রোফাইল টাইটেল সুন্দর করে লিখুন । প্রোফাইল টাইটেলটি অল্প কথার মধ্যে লেখার চেষ্টা করবেন।  মূলত আপনি যে সার্ভিসটি দেন সেই সার্ভিসটি কে  ফোকাস করুন।  এরপর প্রোফাইল ডিসক্রিপশন অংশে খুব বেশি কথা না লিখে অল্প কথার মধ্যে নিজের সম্পর্কে উপস্থাপন করুন।  এখানে নিজের সম্পর্কে বলতে আপনার ব্যক্তিগত কোন কিছু জানতে চাওয়া হয়নি , বরং আপনি প্রফেশনাল হিসেবে যেমন সেই বিষয়টি উল্লেখ করুন।
এবার সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হচ্ছে স্কিল সঠিকভাবে পূরণ করা ।  এই অংশে অবশ্যই সেই সমস্ত স্কিলগুলোকে যুক্ত করবেন , যেগুলোতে আপনি অনেক বেশি দক্ষ, অবশ্যই সেখানে এক্সপার্ট লেভেল সিলেক্ট করে দিবেন । বিগেনার অথবা এন্ট্রি লেভেলের দিলে সে ক্ষেত্রে কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম । আবার যে কাজটি আপনার কোন দক্ষতা নেই সেই কাজটি স্কিল হিসেবে যুক্ত করে এক্সপার্ট সিলেক্ট করে দেয়া অত্যন্ত বোকামি।


এরপর ছোটখাটো বিষয় গুলো ফিলাপ করে নিবেন ।  যেমন সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট যুক্ত করা , আপনি কি কি ভাষায় দক্ষ সেসব যুক্ত করা, অবশ্যই ইংলিশ  ফ্লুয়েন্ট হিসেবে যুক্ত করে দেবেন ।
 
এবার আসি মূল পর্বে Gig তৈরি করা।  প্রোফাইল মোটামুটি কমপ্লিট হয়ে গেলে আমাদের  Gig তৈরি করতে হবে।  Gig বলতে বোঝায় আপনি যে সার্ভিসটি দিতে চান সেই সার্ভিসটি সম্পর্কে একটি বিজ্ঞাপন তৈরি করা ।  যে বিজ্ঞাপনে সমস্ত কিছু স্পষ্ট ভাবে দেয়া থাকবে , আর এই বিজ্ঞাপনটি শুধুমাত্র এই সাইটে প্রদর্শিত হবে বিভিন্ন ক্যাটাগরি এবং sub-category আওতাভুক্ত ।


1. Offer Something Unique
আপনি যে বিষয়ে সার্ভিস প্রদান করতে চান সেই বিষয়ের একটি সুন্দর টাইটেল তৈরি করুন যেটি অন্যদের টাইটেল হতে কিছুটা ইউনিক হয়।


2. Offer Surprising Value
সার্ভিস মূল্য এমনভাবে নির্ধারণ করুন, যাতে অন্যদের চেয়ে খুব কম না হয় ।  আবার খুব বেশি না হয় এমন একটা সার্ভিস মূল্য নির্ধারণ করবেন, প্রথমদিকে কিছুটা কম হলেও একটু বেশি করে কাজ করে দেয়ার চেষ্টা করবেন, আপনি চাইলে পরবর্তীতে আবার পরিবর্তন করতে পারবেন।


3. Offer Upsells and Extras
Gig Extra ক্ষেত্রে ওই সার্ভিসের পাশাপাশি আপনি ওই সংক্রান্ত আর কি অতিরিক্ত প্রদান করতে পারবেন, সেই বিষয়টা Gig Extra অংশে যুক্ত করে দিতে পারেন ।  অবশ্যই মনে রাখবেন যে সার্ভিসটি দিচ্ছেন শুধুমাত্র সেই সার্ভিস এর সঙ্গে মিল আছে এমন কিছুই এখানে যুক্ত করা যাবে ।  যেমন আপনি যদি গ্রাফিক্স ডিজাইন সার্ভিস দেন , সে ক্ষেত্রে কাউকে যদি আপনি ব্যানার ডিজাইন করে দেন, এখানে এক্সট্রা বলতে আপনি পিএসডি ফাইল দিতে পারবেন ।  এটিকে Gig Extra   হিসেবে যুক্ত করতে পারেন ।   কিন্তু এই ক্ষেত্রে যদি আপনি বলেন ওয়েবসাইট ডিজাইন করে দিবেন Gig এক্সট্রা অংশে। সে ক্ষেত্রে আপনার Gig বাতিল হয়ে যাবে ।  মোটকথা অপ্রাসঙ্গিক বা  সার্ভিস সংক্রান্ত নয় তা দেয়া যাবে না।
 
4. Solicit Excellent Feedback
অবশ্যই এমন কিছু লিখুন বা আপনার অভিজ্ঞতা তুলে ধরুন সার্ভিস সম্পর্কে , যেটি অবশ্যই দুর্দান্ত এবং অন্যদের চেয়ে আপনি অনেক ভালো পারেন সে বিষয়টি স্পষ্ট করুন।
 
5. Offer a Guarantee
আপনি যে সার্ভিসটি দিতে চাচ্ছেন সেই বিষয়ে ক্লায়েন্টকে একটি নিশ্চয়তা দিন। যাতে করে সার্ভিসটি গ্রহণ করতে আগ্রহী হয়। অথবা উল্লেখ করুন সার্ভিসটি আপনি সঠিকভাবে প্রদান করতে না পারলে সম্পন্ন রিফান্ড বা মানিব্যাগ করে দিবেন ।
 
6. Keep Your Title Short
সব সময় টাইটেল শর্ট করার চেষ্টা করুন


7. Write a Very Detailed Description
ডিসক্রিপশন অংশে প্রতিটি বিষয় খুব সুন্দর করে উপস্থাপন করুন । আপনি কিভাবে কাজটি করবেন, সেই কাজের সঙ্গে আপনি কি কি দিবেন, বিস্তারিত ভাবে লিখুন, যাতে কোন প্রকার প্রশ্ন না থাকে আর।


8. Creative and Clean Gig image
পরের অংশে যেখানে গীক ইমেজ আপলোড করার অপশন রয়েছে সেখানে অবশ্যই সুন্দর পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন ও ক্রিয়েটিভ ইমেজ যুক্ত করুন যাতে আপনার সার্ভিসটি সহজে উপস্থাপিত হয় এবং ছবিটি দৃষ্টিনন্দন হয়।


9. Add Portfolio
আপনি যে সার্ভিসটি দিতে চাচ্ছেন সেই সার্ভিসটির পোর্টফলিও মানে আপনি অতীতে যে কাজ করেছেন সে সমস্ত কাজের ডকুমেন্ট স্যাম্পল যদি থাকে সে গুলোকে পিডিএফ ফাইল আকারে ইমেজের পরের অপশনে আপলোড করে দিতে পারেন


10. Produce a Video Description
সবচেয়ে ভালো হবে যদি আপনি এক মিনিট দৈর্ঘ্যের একটি ভিডিও তৈরি করেন আপনার সার্ভিস সম্পর্কে । এবং সেটি যদি আপলোড করেন এখানে । তাহলে অনেক বেশি সেল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে । কারণ মানুষের কোন কিছু পড়ে বোঝার ধৈর্য্য খুব কম থাকে । তার চেয়ে বেশি মানুষ ভিডিও দেখতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে।
 
Gig টি সাবমিট করার পর 12 থেকে 24 ঘন্টা সময় লাগতে পারে এডমিন কর্তৃক রিভিউ হওয়ার জন্য । এ  সময় যদি আপনার কোন প্রকার ভুল থাকে সেটি অবশ্যই এডমিন চেক করে আপনাকে জানাবে পরিবর্তন করার জন্য। আর যদি কোন প্রকার ভুল না থাকে, আপনাকে স্বাগত জানাবে আপনার নতুন গীত পাবলিশ করার জন্য।
 
সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে এখন শুধু অপেক্ষা করার পালা আপনার সার্ভিসটি বিক্রয় হওয়ার জন্য ।  আপনার সার্ভিসটি যদি অন্যদের সার্ভিস থেকে পৃথক বৈশিষ্ট্য বহন করে এবং আকর্ষনীয় হয় তাহলে আপনার প্রথম বিক্রির জন্য খুব বেশি দেরি করতে হবে না । তবে এ ক্ষেত্রে অনেকে প্রথম কয়েক দিনের মধ্যেই তার প্রথম অর্ডার পেয়ে থাকেন  ।  আবার  অনেকেই থাকেন যাদের এত সহজে অর্ডার আসে না ।   তবে এটা ঠিক আপনার সার্ভিসটি যদি প্রফেশনাল মানের হয় এবং অন্যদের চেয়ে অনেক বেশি সুযোগ-সুবিধা থাকে তাহলে অবশ্যই সেল হবে।


11. Advertise Your Gig Off-Site
আপনি চাইলে আরেকটি কাজ করতে পারেন ।  যদিও এটি খুব বেশি ফলদায়ক নয় ।  সেটি হচ্ছে আপনার Gig মার্কেটিং করা ।  আপনার সোশ্যাল মিডিয়া ইউটিউব চ্যানেল অথবা যে কমিউনিটি গুলোতে অনেক মানুষ ।  সেই কমিউনিটি গুলোতে আপনি আপনার সার্ভিসটি মার্কেটিং করতে পারেন , যেখানে আপনার সার্ভিসটি সেল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ।   তবে অযথাই যেকোনো জায়গায় শেয়ার করবেন না যেখানে সেল হওয়ার সম্ভাবনা মোটেই নেই।  বেশি পরিমাণে যদি আপনি শেয়ার করেন সেক্ষেত্রে আপনার Gig স্প্যাম ফিল্টারে চলে যেতে পারে   ।


12. Make More Gigs
আপনার প্রোফাইল যদি নতুন হয়ে থাকে তবে আপনি এই সাইটে সর্বোচ্চ সাতটি গিক খুলতে পাবেন ।  সুতরাং অবশ্যই চেষ্টা করবেন অনেকগুলো খোলার । এর ফলে আপনি কোন না কোন Gig  হতে অর্ডার পেতে পারেন।


কিভাবে টাকা উত্তোলন করবেন টাকা কিভাবে পাবেন?


আপনি যখন কোনো অর্ডার পাবেন কোনো বায়ারের কাছ থেকে ঠিক তখনই বায়ারের কাছ থেকে পেমেন্ট কেটে ফাইবার নিজের কাছে রেখে দেবে । যখন অর্ডারটি কমপ্লিট হয়ে যাবে, তখন টাকাটি 14 দিনের মধ্যে আপনার ফাইবার একাউন্টে জমা করে দিবে। আর Fiverr এর একাউন্টে জমা হওয়ার পর আপনি যে কোন মুহূর্তে যে কোন দিন টাকা উইথড্র দিতে পারবেন। ফাইবার থেকে টাকা উইথড্র দেয়া তিনটি পদ্ধতি রয়েছে 1 পেপাল একাউন্ট এর মাধ্যমে, দুই Payoneer একাউন্টের মাধ্যমে,  3 লোকাল ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে।
পেমেন্ট আগেই অ্যাড করবেন না । আগে কিছুদিন কাজ করেন যখন আপনার একাউন্টে টাকা জমা হবে তখন পেমেন্ট মেথড এড করবেন । এটি হচ্ছে বুদ্ধিমানের কাজ আর পেমেন্ট Add করার সময় কিভাবে পেমেন্ট মেথড এড করতে হয় এই বিষয়ে আমার একটি ভিডিও রয়েছে সেটি দেখে নিবেন । অথবা আমি এই বিষয়ে নতুন আরেকটি পোস্ট করার চেষ্টা করব যদি আপনারা কমেন্ট করেন।

আপনি যদি সফল হতে চান অবশ্যই এই বিষয়গুলো লক্ষ রাখুন

Post a Comment

Previous Post Next Post